জাগরী কি?

জাগরী একটি নির্দলীয় রাজনৈতিক মঞ্চ যেখানে বাংলাদেশে যুবসমাজ দেশে রাজনৈতি নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে সচেতন,সোচ্চার ও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করতে পারে।

আরও...

লগ-ইন



জাগরী কোথায়?

জাগরীর সদস্য হতে হলে অনুগ্রহপূর্বক এখানে ক্লিক করুন এবং সদস্য ফর্ম পূরণ করুন এটি আপনাকে আমাদের ই-মেইল লিস্টে অন্তর্ভূক্ত করবে

সাইটে এবং আমাদের ফোরামে অংশগ্রহণ করতে চাইলে, একাউন্ট তৈরি করুন

 

facebook ফেসবুক গ্রুপে যোগদান করুন

জাগরীর নিয়মিত আলোচনা চক্রে এবং নানা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে চাইলে, ডানে সম্ভাব্য ইভেন্ট বাক্সটি দেখুন।

বিস্তারিত অনুসন্ধানের জন্য, কল করুন ০১৮১১-৯৯৯-১২৩ অথবা ই-মেইল করুন contact@jagoree.org.

 

জাগরোমিটার

২০০৮ সালের দিসেম্বরে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। এ জয়ের মূলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আওয়ামী লীগ কর্তৃক প্রণীত নির্বাচনী ইশতেহার, যার শিরোণাম ছিলো ‘দিন বদলের সনদ’ ।

আমরা প্রত্যাশা করি যে, আওয়ামী লীগ তাঁদের ইশতেহারে সন্নিবেশিত সুলিখিত অঙ্গীকারসমূহের বাস্তব রূপদানে সচেষ্ট থাকবে। কিন্তু আমরা অতীতে যতটুকু দেখি - যে দলই ক্ষমতায় যাক না কেন, ক্ষমতাসীন হয়ে তাঁরা তাঁদের ইশতেহার বা প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যায়।

জাগোরোমিটার একটি নির্দলীয় নাগরিক মঞ্চ - প্রতিশ্রুতির বিপরীতে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং পূর্ববর্তী সময়ের মতো রাজনৈতিক দল কর্তৃক প্রণীত নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকারসমূহ যেন গুরুত্বহীন না হয়ে পড়ে তা নিশ্চিত করাই হলো এর অন্যতম উদ্দেশ্য। জাগোরোমিটারের মাধ্যমে দিন-বদলের সনদে উল্লেখিত উল্লেখযোগ্য ১৭টি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন বর্তমানে কোন পর্যায়ে আছে তা দেখা সম্ভবপর হবে - আর এটা নাগরিকগণ বিশেষত তরুণ-তরুণীদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে। অনলাইন ও অফলাইনে নানা পর্যায়ের নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত এবং দেশের অন্যতম কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত বাছাইকৃত সংবাদের ভিত্তিতেই জাগোরোমিটারের ভিত্তি রচিত হবে।

আমরা প্রাথমিকভাবে অন্তত পাঁচ বছরের জন্য এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছি। তাই একজনকে এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, জাগোরোমিটার পদ্ধতিগতভাবে প্রমাণিকৃত গবেষণাধর্মী কোনো পদক্ষেপ নয়। এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্য নিয়েই খোলামেলাভাবে বিতর্ক বা প্রশ্ন উত্থাপন করার সুযোগ রয়েছে - যা আমরা মনে-প্রাণে প্রত্যাশাও করি। জাগোরোমিটার যদি নানা ইস্যুতে যৌক্তিক বিতর্কের সূচনা করতে সমর্থ হয়, এবং এর মাধ্যমে নাগরিকগণকে (বিশেষ করে যাঁরা দেশের রাজনীতি ও নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকেন) সচেতন হয়ে ওঠার সুযোগ করে দেয় তবেই আমাদের এ পদক্ষেপ স্বার্থক হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

জাগরী প্রত্যাশা করে এই পদক্ষেপ একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনির্মাণে বিশেষভাবে সহায়ক হবে - যা রাজনৈতিক দলগুলোকে তাঁদের ইশতেহারে সন্নিবেশিত প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে অধিক আন্তরিক ও মনোযোগী করে তুলবে।

আমরা যেসব বিষয় পর্যবেক্ষন করবো

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে মোট ২৩টি বিষয় উল্লেখ রয়েছে (নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশু কিশোর কল্যাণ এ দু’টি বিষয়কে একটি বিষয় ধরে আলোচনা করা হয়েছে। ফলে মোট বিষয় হয়েছে ২২টি।) এগুলোর মধ্যে ৫টি বিষয়কে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ১২টি বিষয় সংযুক্ত ও উপস্থাপিত হয়েছে জাগোরোমিটারে, এর মধ্যে ৫টি অন্যতম অগ্রাধিকারের বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত। অন্য ৭টি বিষয় গুরুত্বের দিক বিবেচনা করে বাছাই করা হয়েছে। অবশিষ্ট বিষয়গুলিও পর্যায়ক্রমে জাগোরোমিটারে সংযুক্ত করা হবে।

প্রথম কিস্তিতে যে সকল বিষয়গূলোর উপর নজর রাখা হবেঃ

১. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সামঞ্জস্য
২. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
৩. কৃষি,মৎস্য খাদ্য নিরাপত্তা (কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন)
৪. স্বাস্থ্য
২. দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা
৩. বিদ্যুত ও জ্বালানী নিরাপত্তা
৪. দারিদ্র বিমোচন এবং বৈষম্য দূরীকরণ 
৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠা                 
৬. শিল্প ও বানিজ্য
৭. স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ
৮. যুবসমাজ এবং কর্মসংস্থান    
৯. স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার কল্যাণ
১০. মানব সম্পদ উন্নয়ন
১১. পরিবেশ এবং পানিসম্পদ
১২. যোগাযোগ এবং ভৌত অবকাঠামো


পরবর্তীতে যে ১০টি বিষয়গুলো আলোকপাত করা হবেঃ

২. নারী ক্ষমতায়ন এবং শিশু-কিশোর কল্যাণ
৩. শ্রম নীতি
৪. মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা      
৫. ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও অনগ্রসর অঞ্চল
৬. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অবাধ তথ্য প্রবাহ
৭. সরকার ও এন.জি.ও
৮. বৈদেশিক নীতি  
৯. প্রতিরক্ষা
১০. সংস্কৃতি ও ক্রীড়া

 

Add comment


Creative Commons License

Devoloped by